WBPSC Miscellaneous 2026 GK in Bengali - Set 3
WBPSC Miscellaneous 2026 GK in Bengali – Set 3 এই ব্লগ পোস্টে WBPSC Miscellaneous 2026 পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞানের (GK) প্রশ্ন ও উত্তর উপস্থাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন বিষয় যেমন ইতিহাস, ভূগোল, ভারতীয় রাষ্ট্রনীতি, বিজ্ঞান এবং সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান থেকে বাছাই করা প্রশ্নগুলি এখানে দেওয়া হয়েছে, যা পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।
যারা WBPSC Miscellaneous 2026 সহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই GK in Bengali – Set 3 বিশেষভাবে উপকারী। প্রতিটি প্রশ্ন পরীক্ষার ধাঁচ অনুযায়ী সাজানো হয়েছে, যাতে পরীক্ষার্থীরা সহজে প্র্যাকটিস করতে পারে এবং নিজেদের প্রস্তুতির মান যাচাই করতে পারে।
নিয়মিত এই ধরনের GK Question Answer in Bengali অনুশীলন করলে সাধারণ জ্ঞানের উপর দখল বাড়ে এবং পরীক্ষায় ভালো ফল করার সম্ভাবনাও অনেকটাই বৃদ্ধি পায়। তাই আপনার প্রস্তুতিকে আরও উন্নত করতে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলি মনোযোগ দিয়ে অনুশীলন করুন। 📚
WBPSC Miscellaneous 2026 GK in Bengali
১. বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'ওমেন কমিটস সতী' কে আঁকেন?
উত্তর: নন্দলাল বসু।
◼️ চিত্রকর্মটি সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য:
✅ সময়কাল: ১৯৪৩ সালে আঁকা
✅ মাধ্যম: ওয়াশ পদ্ধতিতে কাগজের উপর আঁকা
✅ বিষয়বস্তু: সতীদাহ প্রথার মর্মান্তিক দৃশ্য। চিতায় আরোহণরত এক নারীর দৃঢ় অথচ বিষাদময় অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তুলেছেন নন্দলাল বসু। ছবিতে নাটকীয়তা কম, বরং সংযম আর গভীর বেদনা আছে।
✅ শৈলী: নন্দলাল বসুর চিত্রে অজন্তা ও মুঘল মিনিয়েচারের প্রভাব স্পষ্ট। এই ছবিতেও রেখার স্বচ্ছন্দ ব্যবহার আর মাটির রঙের টোন দেখা যায়।
◼️ নন্দলাল বসু অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিষ্য ছিলেন এবং ভারতীয় শিল্পকলায় 'বেঙ্গল স্কুল'-এর অন্যতম প্রধান শিল্পী। স্বদেশি আন্দোলনের সময় তিনি ভারতীয় পুরাণ, ইতিহাস ও লোকজীবনকে ছবির বিষয় করে তোলেন। 'সতী' সেই ধারারই এক শক্তিশালী কাজ।
২. 'A Brief History of Time' বইটির লেখক কে?
উত্তর: স্টিফেন হকিং।
◼️ বইটি সম্পর্কে:
✅ পুরো নাম: A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes
✅ প্রকাশকাল: ১৯৮৮ সালে প্রথম প্রকাশিত
✅ বিষয়বস্তু: মহাবিশ্বের উৎপত্তি, কৃষ্ণগহ্বর, বিগ ব্যাং, সময়ের প্রকৃতি — জটিল সব কসমোলজির ধারণা একদম সাধারণ পাঠকের জন্য লিখেছেন হকিং। কোনো ইকুয়েশন নেই, শুধু E = mc^2 ছাড়া।
✅ প্রভাব: বইটা ২৫ মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে আর ৪০+ ভাষায় অনূদিত। বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে এটা একটা মাইলফলক।
◼️ স্টিফেন হকিং ছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও কসমোলজিস্ট। মোটর নিউরন ডিজিজে আক্রান্ত হয়েও তিনি ব্ল্যাক হোল আর হকিং রেডিয়েশন নিয়ে যুগান্তকারী কাজ করেছেন।
৩. 'The Republic' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর: প্লেটো।
◼️ গ্রন্থটি সম্পর্কে:
✅ গ্রিক নাম: Politeia পলিটেইয়া
✅ রচনাকাল: আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৭৫ অব্দ
✅ ধরন: সক্রেটিক সংলাপ। সক্রেটিস আর অন্যান্য চরিত্রের কথোপকথনের মাধ্যমে ন্যায়, আদর্শ রাষ্ট্র, শিক্ষা, দার্শনিক-রাজার ধারণা উঠে এসেছে।
✅ মূল ভাবনা: "ন্যায় কী?" — এই প্রশ্ন দিয়ে শুরু। প্লেটো দেখিয়েছেন একটি আদর্শ নগর-রাষ্ট্রে শাসক, সৈনিক আর উৎপাদক শ্রেণি কীভাবে কাজ করবে। বিখ্যাত 'গুহার রূপক' এই বইতেই আছে, যেখানে তিনি জ্ঞান আর অজ্ঞতার পার্থক্য বুঝিয়েছেন।
◼️ প্লেটো ছিলেন সক্রেটিসের শিষ্য আর অ্যারিস্টটলের শিক্ষক। পশ্চিমা দর্শনের ভিত্তি তৈরিতে "The Republic"-এর প্রভাব বিশাল। আজও রাষ্ট্রবিজ্ঞান, নীতিশাস্ত্র আর শিক্ষাদর্শন পড়তে গেলে এই বইটা পড়তেই হয়।
৪. 'Das Kapital' (দাস ক্যাপিটাল) গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর: কার্ল মার্কস।
◼️ গ্রন্থটি সম্পর্কে:
✅ পুরো নাম: Das Kapital. Kritik der politischen Ökonomie অর্থাৎ "পুঁজি: রাজনৈতিক অর্থনীতির সমালোচনা"
✅ খণ্ড: মোট ৩ খণ্ড। প্রথম খণ্ড মার্কস নিজে ১৮৬৭ সালে প্রকাশ করেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড তাঁর মৃত্যুর পর ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস সম্পাদনা করে ১৮৮৫ ও ১৮৯৪ সালে প্রকাশ করেন।
✅ বিষয়বস্তু: পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে তার বিশ্লেষণ। উদ্বৃত্ত মূল্য, শ্রমশক্তি, পণ্যের ফেটিশ চরিত্র, পুঁজির সঞ্চয়ন — এই ধারণাগুলো মার্কস এখানে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন।
✅ প্রভাব: আধুনিক সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি আর রাজনৈতিক চিন্তায় বইটির প্রভাব বিশাল। সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের মূল তাত্ত্বিক ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়।
◼️ কার্ল মার্কস ছিলেন জার্মান দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী। এঙ্গেলসের সঙ্গে মিলে কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো লিখেছিলেন। দাস ক্যাপিটাল তাঁর জীবনের প্রধান কাজ।
৫. মহানন্দা নদী কোন জেলায় উৎপন্ন হয়েছে?
উত্তর: দার্জিলিং।
◼️ নদীটি সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য:
✅ উৎপত্তিস্থল: দার্জিলিং জেলার কার্শিয়াং মহকুমার কাছে মহালদিরাম পাহাড়, উচ্চতা প্রায় ২১০০ মিটার। হিমালয়ের পাগলাঝোরা ঝরনা থেকেও এর একটি ধারা নেমেছে।
✅ প্রবাহপথ: দার্জিলিং থেকে নেমে শিলিগুড়ির পাশ দিয়ে উত্তর দিনাজপুর, মালদা হয়ে পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে বিহারে ঢোকে। তারপর আবার মালদার কাছে ভারতে ফিরে গঙ্গায় মিশেছে।
✅ গুরুত্ব: উত্তরবঙ্গের প্রধান নদীগুলোর একটি। মালদা ও উত্তর দিনাজপুর জেলার কৃষি ও নৌ-পরিবহনে এর বড় ভূমিকা আছে। মহানন্দা বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্যও এই নদীর নামে।
✅ উপনদী: বালাসন, মেচি, কানকাই, রতুয়া এর প্রধান উপনদী।
◼️ মহানন্দার মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৬০ কিমি, যার বেশিরভাগই পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে।
৬. নাথুলা পাস কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: সিকিম।
◼️ নাথুলা পাস সম্পর্কে:
✅ অবস্থান: পূর্ব সিকিম জেলায়, ভারত-চীন সীমান্তে। গ্যাংটক থেকে প্রায় ৫৪ কিমি পূর্বে।
✅ উচ্চতা: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪,৩১০ মিটার বা ১৪,১৪০ ফুট
✅ ঐতিহাসিক গুরুত্ব: প্রাচীন সিল্ক রুটের একটি অংশ ছিল। তিব্বতের লাসার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের প্রধান পথ ছিল এই পাস। ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের পর দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল।
✅ বর্তমান অবস্থা: ২০০৬ সালে বাণিজ্যের জন্য আবার খুলে দেওয়া হয়। এখন এটি ভারত-চীন সীমান্ত বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। কৈলাস মানস সরোবর যাত্রার জন্যও এই পথ ব্যবহার হয়।
✅ নাম: তিব্বতি ভাষায় 'নাথু' মানে 'শ্রবণকারী কান' আর 'লা' মানে 'গিরিপথ'।
◼️ নাথুলা পাস ভারতীয় সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এবং এখানে যেতে ভারতীয় নাগরিকদেরও বিশেষ অনুমতি লাগে। আবহাওয়ার কারণে শীতকালে অনেক সময় বন্ধ থাকে।
৭. দুধের ঘনত্ব পরিমাপ করতে ব্যবহৃত যন্ত্রটি হলো—
উত্তর: ল্যাকটোমিটার।
◼️ ল্যাকটোমিটার সম্পর্কে:
✅ কাজ: দুধে পানি মেশানো হয়েছে কিনা বা দুধের বিশুদ্ধতা কেমন, সেটা ঘনত্ব মেপে বোঝা যায়। বিশুদ্ধ দুধের আপেক্ষিক ঘনত্ব ১.০২৮ থেকে ১.০৩২ এর মধ্যে থাকে।
✅ কীভাবে কাজ করে: এটা আসলে এক ধরনের হাইড্রোমিটার। দুধে ডুবিয়ে দিলে আর্কিমিডিসের নীতি অনুযায়ী যত কম ডুববে, দুধ তত ঘন। ল্যাকটোমিটারের গায়ে 'M' মার্ক থাকে — বিশুদ্ধ দুধে ওই দাগ পর্যন্ত ডুববে।
✅ তাপমাত্রা: সাধারণত ১৫.৫°C বা ৬০°F তাপমাত্রায় মাপটা স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়। তাপমাত্রা বদলালে রিডিংও বদলায়।
✅ সীমাবদ্ধতা: শুধু পানি মেশানো ধরতে পারে। চিনি, লবণ বা অন্য কিছু মেশালে ল্যাকটোমিটার ভুল রিডিং দিতে পারে।
◼️ দুধের ফ্যাট মাপতে আলাদা যন্ত্র লাগে, যেমন গারবার পদ্ধতি বা মিল্কোটেস্টার।
৮. ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ঐতিহাসিক 'মৈদাম' কোন রাজ্যে অবস্থিত?
উত্তর: আসাম।
◼️ মৈদাম সম্পর্কে:
✅ অবস্থান: আসামের চরাইদেও জেলায়। চরাইদেও ছিল আহোম রাজ্যের প্রথম রাজধানী।
✅ কী এগুলো: 'মৈদাম' হল আহোম রাজাদের ও রাজপরিবারের সদস্যদের সমাধিক্ষেত্র। অর্ধগোলাকার মাটির ঢিবি, যার ভিতরে এক বা একাধিক কক্ষ থাকে। মিশরের পিরামিডের সঙ্গে তুলনা করা হয় বলে এদের 'ভারতের পিরামিড'ও বলা হয়।
✅ ইউনেস্কো স্বীকৃতি: ২০২৪ সালের জুলাই মাসে চরাইদেও মৈদামগুলো ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম সাংস্কৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য ক্ষেত্র এটি।
✅ সময়কাল: ১৩শ শতক থেকে ১৯শ শতক পর্যন্ত ৬০০ বছর ধরে আহোমরা এই মৈদাম তৈরি করেছিলেন।
✅ বৈশিষ্ট্য: ঢিবির উপরে চূড়া থাকে যাকে 'চাউ-চালি' বলে। ভিতরে রাজা ও তাঁর ব্যবহৃত জিনিসপত্র, দাস-দাসী, এমনকি হাতি-ঘোড়াও কবর দেওয়া হত — এই প্রথাকে 'পাইক' বলা হত।
◼️ চরাইদেও-তে প্রায় ৯০টি মৈদাম এখনও টিকে আছে। আহোমদের এই স্থাপত্য তাদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও বিশ্বাসের অনন্য নিদর্শন।
৯. ২০৩০ সালের শীতকালীন অলিম্পিক গেমস কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
উত্তর: ফ্রান্স।
◼️ গেমস সম্পর্কে:
✅ আয়োজক অঞ্চল: ফ্রেঞ্চ আল্পস — ওভের্ন-রোন-আল্প এবং প্রোভঁস-আল্প-কোত দাজ্যুর অঞ্চল যৌথভাবে আয়োজন করবে।
✅ তারিখ: ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০৩০
✅ ঘোষণা: ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই প্যারিসে IOC-র ১৪২তম অধিবেশনে ফ্রান্সকে আয়োজক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
✅ বিশেষত্ব: ফ্রান্স চতুর্থবার শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজন করবে। এর আগে ১৯২৪ শামনি, ১৯৬৮ গ্রেনোবল, ১৯৯২ আলবেয়ারভিলে হয়েছে। ২০৩০ সালের আসর অনেকগুলো পুরনো ভেন্যু ব্যবহার করবে, তাই একে 'সাস্টেইনেবল গেমস' বলা হচ্ছে।
✅ প্রধান ভেন্যু: নিস শহরে সমাপনী অনুষ্ঠান ও আইস ইভেন্ট, আলবেয়ারভিলে স্পিড স্কেটিং, কুরশেভেল-মেরিবেল স্কি ইভেন্ট হবে।
◼️ প্যারিস ২০২৪ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের মাত্র ৬ বছর পরেই ফ্রান্স আবার অলিম্পিক আয়োজন করছে।
১০. ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট মহাবলীপুরমের মন্দিরগুলি ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
উত্তর: তামিলনাড়ু।
◼️ মহাবলীপুরম সম্পর্কে:
✅ অবস্থান: তামিলনাড়ুর চেঙ্গলপট্টু জেলায়, চেন্নাই থেকে প্রায় ৬০ কিমি দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তীরে।
✅ অন্য নাম: মামল্লপুরম। পল্লব রাজা প্রথম নরসিংহবর্মণের উপাধি 'মামল্ল' থেকে এই নাম।
✅ ইউনেস্কো স্বীকৃতি: ১৯৮৪ সালে 'Group of Monuments at Mahabalipuram' নামে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
✅ সময়কাল: ৭ম-৮ম শতকে পল্লব রাজাদের আমলে তৈরি।
◼️ প্রধান স্থাপত্য:
✅ শোর টেম্পল — সমুদ্রের ধারে গ্রানাইট পাথরের মন্দির
✅ পঞ্চ রথ — পাথর কেটে তৈরি পাঁচটি রথের আদলে মন্দির, দ্রৌপদী রথ থেকে ধর্মরাজ রথ
✅ অর্জুনের তপস্যা বা গঙ্গাবতরণ — বিশাল পাথরের গায়ে খোদাই করা রিলিফ, বিশ্বের অন্যতম বড় উন্মুক্ত রিলিফ
✅ বরাহ গুহা মন্দির, কৃষ্ণের মাখন বল — প্রকাণ্ড গোলাকার পাথর যা ঢালে আটকে আছে
◼️মহাবলীপুরম পল্লব স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। একটাই পাথর কেটে মন্দির বানানোর রীতি এখান থেকেই দক্ষিণ ভারতে ছড়ায়।
আরও পড়ুন...
◼️ WBPSC Miscellaneous 2026 GK in Bengali - Set 2
◼️ WBPSC Miscellaneous 2026 GK in Bengali - Set 1

